রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে থাকা ৪টি নদীর সব কয়টির পানিতে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে অক্সিজেনের পরিমাণ। ব্যবহার উপযোগী পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকার কথা থাকলেও বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষা ও বালু নদীতে অক্সিজেনের পরিমাণ শুণ্যের কোঠায়।
দখল, দূষণ আর ভরাট, এই তিন কারনে কিছুতেই রক্ষা করা যাচ্ছে না বুড়িগঙ্গাকে। একই অবস্থা তুরাগ, শীতলক্ষা আর বালু নদীরও।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের তথ্য মতে, প্রতিদিন এই চার নদীতে ফেলা হচ্ছে সাঁড়ে ১৩ লাখ ঘনমিটার পঁয়বর্জ্য, ২২ হাজার ঘনমিটার ট্যানারি বর্জ্য আর ১ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার কারখানার বর্জ্য। এসব বর্জ্য থেকে নদীর পানিতে মিশে যাচ্ছে ৬২ রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক। গবেষণায় এই ৪ নদীর কোনটাতেই প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। নদীগুলোর ৫০ টি পয়েন্টের পানি পরীক্ষা করে প্রতি লিটারে মিলেছে ০.০৬ থেকে ০.৩৫ ভাগ দ্রবীভূত অক্সিজেন।
তুরাগ নদীর গাবতলী পয়েন্টে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ছিলো ০.৮৯ মিলিগ্রাম। ২০১৬ সালের মার্চে মিলেছে ০.২৪ মিলিগ্রাম।
এ প্রসঙ্গে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সালাম বলেন, পানিতে মূল যেটা প্রয়োজন সেটা হলো দ্রবীভূত অক্সিজেন। এই অক্সিজেন প্রতি লিটার পানিতে ৫ মিলিগ্রাম থাকার কথা। কিন্তু সেখানে আমরা পাচ্ছি কোথাও ০.১৬, কোথাও ০.২৪। বেশির ভাগ জায়গায় ১-এর নিচে। এমন দূষণ অবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে শুধু পানির অভাবেই মানুষকে ঢাকা ছাড়তে হবে।
খুব দ্রুতগতিতে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। এভাবে যদি নামতে থাকে তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে অধিকাংশ এলাকা পানি শুণ্য হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের।
শুধুমাত্র দূষণ-ই নয়, নদী বিনাসী দখল ঠেকাতেও আন্তরিক রাজনৈতিক উদ্দোগের তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নদীগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো নদী নাকি ময়লা ফেলার স্থান। প্রতিদিন লাখ লাখ টন ময়লা ফেলে দূষিত করা হচ্ছে নদীগুলোকে। ফলে এই নদীগুলোর পানি ব্যবহারের সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের ৪টি নদীকে বাঁচানো খুবই জরুরি।
দখল, দূষণ আর ভরাট, এই তিন কারনে কিছুতেই রক্ষা করা যাচ্ছে না বুড়িগঙ্গাকে। একই অবস্থা তুরাগ, শীতলক্ষা আর বালু নদীরও।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের তথ্য মতে, প্রতিদিন এই চার নদীতে ফেলা হচ্ছে সাঁড়ে ১৩ লাখ ঘনমিটার পঁয়বর্জ্য, ২২ হাজার ঘনমিটার ট্যানারি বর্জ্য আর ১ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার কারখানার বর্জ্য। এসব বর্জ্য থেকে নদীর পানিতে মিশে যাচ্ছে ৬২ রকমের ক্ষতিকর রাসায়নিক। গবেষণায় এই ৪ নদীর কোনটাতেই প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। নদীগুলোর ৫০ টি পয়েন্টের পানি পরীক্ষা করে প্রতি লিটারে মিলেছে ০.০৬ থেকে ০.৩৫ ভাগ দ্রবীভূত অক্সিজেন।
তুরাগ নদীর গাবতলী পয়েন্টে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ছিলো ০.৮৯ মিলিগ্রাম। ২০১৬ সালের মার্চে মিলেছে ০.২৪ মিলিগ্রাম।
এ প্রসঙ্গে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সালাম বলেন, পানিতে মূল যেটা প্রয়োজন সেটা হলো দ্রবীভূত অক্সিজেন। এই অক্সিজেন প্রতি লিটার পানিতে ৫ মিলিগ্রাম থাকার কথা। কিন্তু সেখানে আমরা পাচ্ছি কোথাও ০.১৬, কোথাও ০.২৪। বেশির ভাগ জায়গায় ১-এর নিচে। এমন দূষণ অবস্থা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে শুধু পানির অভাবেই মানুষকে ঢাকা ছাড়তে হবে।
খুব দ্রুতগতিতে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। এভাবে যদি নামতে থাকে তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে অধিকাংশ এলাকা পানি শুণ্য হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের।
শুধুমাত্র দূষণ-ই নয়, নদী বিনাসী দখল ঠেকাতেও আন্তরিক রাজনৈতিক উদ্দোগের তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নদীগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো নদী নাকি ময়লা ফেলার স্থান। প্রতিদিন লাখ লাখ টন ময়লা ফেলে দূষিত করা হচ্ছে নদীগুলোকে। ফলে এই নদীগুলোর পানি ব্যবহারের সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের ৪টি নদীকে বাঁচানো খুবই জরুরি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন